৩ মার্চ টেলিকম ও আইসিটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম সভা

২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১০:৫৯  

হাইটেকে বেসরকারি বিনিয়োগ ২ হাজার ১৫০ কোটি টাকা; সম্প্রসারণ করা হবে টেলিটক নেটওয়ার্ক

আগামী ৩ মার্চ বসছে দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক। ওইদিন সকাল ১১টায় সংসদ ভবনের পশ্চিম ব্লকের দ্বিতীয় তলায় অনুষ্ঠেয় বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাজী নাবিল আহমেদ। কমিটির সদস্য হিসেবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত থাকবেন ডেপুটি হুইপ নজরুল ইসলাম বাবু, সংসদ সদস্য সংসদ সদস্য কবিরুল হক, আবুল কালাম আজাদ (রাজশাহী), মাহবুবুর রহমান, নাহিদ নিগার, আবুসালে মো. নাজমুল হক ও সিদ্দিকুল আলম।

বৈঠকে স্মার্ট বাংলাদেশ গঠনের পরিকল্পনা সম্পর্কে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন উপস্থাপন করবেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একইসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন সকল আইন, বিধি-নির্দেশিকা উপস্থাপন করে সেগুলোর সংশোধনী ও নতুন আইন প্রণয়ন নিয়েও আলোকপাত করবেন তিনি। একইসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের অধীন সেবা ও ব্যাবসায়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর বিগত ৫ অর্থ বছরের আয়-ব্যায় বিবরণী বিশ্লেষণ করে লাভজনক প্রতিষ্ঠান হতেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে সভায়। উপস্থাপন করা হবে সরকারি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জিব্রেইন এর উপর বিশেষ উপস্থাপনা।

বুধবার রাতে এসব বিষয়েই সংশ্লিষ্টদের নিয়ে প্রস্তুতিমূলক আলোচনা সভা করেছেন প্রতিমন্ত্রী পলক। ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত ওই সভায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে বিটিআরসি কমিশনার শেখ রিয়াজ আহমেদ, ডাক অধিদপ্তরের মোঃ রফিকুল ইসলাম, ডাক মহাপরিচালক তরুণ কান্তি সিকদার, এটুআই প্রকল্প পরিচালক মো: মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া, স্টার্টআপ বাংলাদেশ ব্যবস্থাপনা পরিচালক সামি আহমেদ, টেলিটক ব্যবস্থাপ পরিচালক এ কে এম হাবিবুর রহমান, হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক জিএসএম জাফরউল্যাহ প্রমুখ সভায় সংযুক্ত ছিলেন।

এদিকে বুধবারের সংসদ ধিবেশনে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য এ বি এম আনিছুজ্জামানের প্রশ্নের জবাবে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সরকারি উদ্যোগে চালু থাকা ১৮টি পার্কে দেশি-বিদেশি ১৯২টি প্রতিষ্ঠান ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করেছে। এখন পর্যন্ত বেসরকারি সেক্টর থেকে প্রায় ২ হাজার ১৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ হয়েছে।

জাতীয় সংসদে জাতীয় পার্টির সদস্য এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদারের তারকা চিহ্নিত এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি মোবাইল কোম্পানি টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের বিটিএস সাইট টাওয়ারের সংখ্যা অন্যান্য বেসরকারি মোবাইল অপারেটরের তুলনায় কম। সেই কারণে টেলিটকের নেটওয়ার্ক অন্যান্য মোবাইল অপারেটরগুলোর তুলনায় সমানভাবে পাওয়া যায় না।

তিনি বলেন, এই উদ্যোগের আওতায় ‘গ্রাম পর্যায়ে টেলিটক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ এবং ফাইভ জি সেবা প্রদানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন’ প্রকল্পের আওতায় এখন তিন হাজারটি নতুন বিটিএস সাইট (টাওয়ার) স্থাপনের কাজ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

পলক জানান, চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত পার্বত্য অঞ্চল, হাওর ও অন্যান্য উপকূলীয় ও দ্বীপ এলাকায় আর্থিক সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিলের মাধ্যমে ৪২০টি নতুন বিটিএস সাইট (টাওয়ার) স্থাপনের কাজ চলছে।

তিনি জানান, এর পাশাপাশি ফোর জি মোবাইল নেটওয়ার্ক সার্ভিসের আওতায় ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রায় দুই হাজার বিটিএস সাইট (টাওয়ার) নির্মাণ করা হবে।